ব্যস্ততা বেড়েছে কামারপাড়ায়

0

ডেস্ক রিপোর্ট: মাত্র কয়েকদিন পরই পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। অবিরাম কাজ করছেন কামাররা। রাজধানী ঢাকাসহ সব জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন বাজারের কামারপাড়া গুলো চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। 

বিরাম নেই হাপরেরও। সরগরম টুংটাং শব্দে। দিনরাত সমান তালে তারা এখন ব্যস্ত ছুরি, চাপাতি, দা, বটি, ছোট চাকু নতুন করে তৈরি ও শান দেয়ার কাজে। কোরবানি ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন কামাররা। ক্রেতারাও তাদের পছন্দের ছুরি, চাপাতি, কুড়াল,  ছেনা, বটি ও মাংস কাটার জন্য গাছের গুলের টুকরো কেনার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তবে বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে এসব সরঞ্জামের দাম একটু বেড়ে গেলেও ক্রেতারা তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী হাসি মুখেই ক্রয় করছেন। বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।

কামারের দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন পশু জবাইয়ের উপকরণ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদ উপলক্ষে দা, ছুরি, চাপাতি ও ছোট ছোট চাকু (ছুরি) ব্যাপক চাহিদা বেড়ে যায়। কারিগড়রা জানান, সারাবছর যত পণ্য বিক্রি হয় এই ঈদেই বিক্রি হয় তার চেয়ে বেশি। কারণ পশু জবাই করার জন্য ধারালো অস্ত্রের প্রয়োজন। আর পুরাতন এইসব অস্ত্র অনেকেই রাখেন না। সেই জন্য প্রতি বছর নতুন নতুন অস্ত্রের প্রয়োজন পরে। 

কামার ব্যবসায়ী সুনিল দাস ও সনাতন কর্মকার জানান, সারা বছর কাজ খুব কম থাকে। কোরবানির ঈদ এলে কাজ ও বিক্রি বেড়ে যায়। প্রতিটি দা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা, ছোট ছুরি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, বটি ৩০০ টাকা, চাপাতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে লোহার পাশাপাশি স্প্রিং কিংবা স্টিলের ছুরি চাকুও লোকজনকে আকৃষ্ট করছে বলে জানান তিনি। কামারপাড়ায় দা, বটি ক্রয় করতে আসা ফারুক আহমদ জানান, দুটো বটি ৮৫০ টাকা দিয়ে ক্রয় করলাম। দামটা একটু বেশীই মনে হল অন্যান্য বছরের তুলনায়। 

এসবিসি ডেস্ক

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.